রাণীনগরে আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত

রাণীনগরে আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত

প্রকাশিত: ১১-০২-২০১৯, সময়: ১৭:২৮ |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাণীনগর : রাণীনগরে আমগাছে আসতে শুরু করেছে আমের মুকুল। বর্তমানে আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত উপজেলা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আমের গাছে আসতে শুরু করেছে মুকুল। এ যেন ঋতুরাজ বসন্তের আগমন বার্তা।

কৃষিবিদ ও আম চাষিরা আশা করছেন বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবং আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবার আমের ভাল ফলন হবে। আমচাষি ও বাগান মালিকেরা বাগান পরিচর্যা করছেন। অবশ্য গাছে মুকুল আসার আগ থেকেই গাছে পরিচর্যা করছেন তারা। গাছে গাছে বালাইনাশক স্প্রে করার দৃশ্য চোখে পড়ছে।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় বাণিজ্যিক ভাবে আম চাষ না হলেও প্রাথমিক ভাবে এবছর ব্যক্তি উদ্যোগে উপজেলায় প্রায় ১৩ হেক্টরের জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে আম বাগান গড়ে তোলা হয়েছে। বাগানে আমরুপালি, ফজলি, খিড়সা, মোহনা, ল্যাংড়া, রাজভোগ ও গোপালভোগসহ বিভিন্ন জাতের আমের বাগান গড়ে তোলা হয়েছে।

এছাড়াও ছোট ছোট পরিত্যক্ত এবং বাড়ির আশেপাশের জায়গাগুলোতে অনেক গাছ রয়েছে। ইতোমধ্যেই বেশ কিছু গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। আগামী ফালগুন মাসের ১সপ্তাহ নাগাদ মুকুলে ছেয়ে যাবে প্রতিটি আম গাছ। এ উপজেলার উৎপাদিত আম এলাকার চাহিদা পূরণের পর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আমচাষিরা জানান, এখনো সব গাছে মুকুল আসেনি। কয়েক দিনের মধ্যেই সব গাছে মুকুল আসবে। প্রতি বছরই তারা আম গাছ থেকে অনেক টাকা আয় করে থাকেন। এছাড়াও অনেকেই আমের বাগান করেছেন তারাও প্রতিবছর আম থেকে অনেক টাকা আয় করছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন, ইতোমধ্যে আম চাষিদের আম গাছে মুকুল আসার আগে এবং আমের গুটি হবার পর নিয়মিত ছত্রাকনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া জৈব বালাইনাশক ও ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে আমসহ অন্যান্য ফল চাষে কৃষকদেরকে উদ্ধুদ্ধ করা হচ্ছে। তবে আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবং বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আমের ফলন ভাল হবে আশা করছেন তিনি।

উপরে