চাঁপাইনবাবগঞ্জে সবজীর বাজারে ধস

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সবজীর বাজারে ধস

প্রকাশিত: ১১-০২-২০১৯, সময়: ১৪:৪২ |
Share This

ফাইল ফটো

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ : বড় ধরনের ধস নেমেছে শাক সবজীর বাজারে। ফলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সবজী চাষীরা দারুনভাবে উৎকন্ঠিত ও উদ্বিগ্ন। তারা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছেনা এই দর পতনে। কোন কোন চাষীর চোখে মুখে উৎকণ্ঠা প্রবল ভাবে দেখা দিয়েছে। ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা পাল্লা, অর্থাৎ প্রতিজে ৬/৮ টাকা। পাতাকপি বিক্রি হচ্ছে ক্রেতাদের দরে। কাচা কলার কেজি মাত্র ১২ টাকা। শিম প্রকার ভেদে ৬ থেকে ১০ টাকা কেজি। আলু বিক্র হচ্ছে ১২ টাকা ও বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ১২ টাকা কেজি। গাজর ১০ টাক কেজি, কাচা মরিচ প্রকার ভেদে ৮ থেকে ১২ টাকা কেজি। মটর, বদাম, খেসাড়ী সহ প্রতিটি শাক কেজির আটি বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৮ টাকার মধ্যে। এছাড়াও ১২ ধরনের সবজি পাওয়া যাচ্ছে ১০ থেকে ১২ টাকার মধ্যে। টমেটোর দাম আরও কম। মাত্র ৩০ টাকায় ৫ কেজি পাওয়া যাচ্ছে। এক কথায় কৃষক মরে ভূত।

সাধাকরণত! পইকারী বাজারে কেজি দরে কিছুই পাওয়া যেতনা। এখন তারা কেজি সহ বাটখারা, পাল্লা রাখছে। তাই এখন পাইকারী বাজারে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও লেবার শ্রেণীর ক্রেতার ভীড় জমে উঠেছে। অর্থাৎ পাইকারী বাজারেও এক কেজি যে কোন শাক সবজী পাওয়া যাচ্ছে নাগালের মধ্যে। ফলে অধিকাংশ খুচরা শাক সবজী বিক্রেতারা দোকান বন্ধ করে দিয়েছে।

সোনামসজিদ বন্দরে ভারত থেকে আসা পেয়াজের লম্বা ট্রাক। দাম কমের কারনে কেউ খালাস করছেনা। পেয়াজ প্রতি কেজি পাইকারী বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ১০ টাকার মধ্যে কোন কোন ক্ষেত্রে আরও কম। এবার উভয় দেশে পেজের বামপার ফলনের কারনে দেশী পেয়াজেরও দাম খুবই কম। তবে সাম্প্রতিক কালে উত্তরাঞ্চল রেল সবজী বহনের ঘোষণা দিয়েছে। উত্তরাঞ্চলের জেলার মধ্যে চাঁপাই জেলা থাকায় তারা আশা করছে কিছু দিনের মধ্যেই তাদের উৎপাদিত সবজি ঢাকা সহ দেশের অন্যান্য বাজারে পাওয়া যাবে।

উপরে